এই দেশের মানুষের অভিভাবক হচ্ছেন আমাদের সমৃদ্ধ দুর্নীতিবাজ ও পা চাটা সাংবাদিক মহোদনগণ উনারা টিভি পত্রিকায় কোনো কিছু তুলে না ধরলে বদলায়ই কোনো কিছু আটক ও হয় না কেউ, উনারা হচ্ছেন দেশের ও দশের চোখ, আমরা সবাই অন্ধ, বধির ও কানা আমাদের কথা কেউ শুনে?
রাজনৈতিক নেতা এবং পাতি নেতা, সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, এবং প্ৰশাসনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মীদের কাছে যে পরিমান রাষ্ট্রীয় সম্পদের লুট করা অংশ রয়েছে সেটা দিয়ে একটি দুইটি নয় বানানো যাবে ডর্জন খানেক পদ্মা সেতুর মতো উড়াল সেতু সারা দেশ জুড়ে। রাজনৈতিক নেতা এবং পাতি নেতারা ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতু থেকে ও প্রতি গাড়ি পারাপারে সর্বনিম্ন ১০ থেকে ১০০ টাকা ও চাদা নিয়ে থাকে দেশের বিভিন্ন স্থানের সেতু গুলো থেকে,
ভেবে দেখুন আপনার আমার টাকায় নির্মিত সেতু তে আমরা টাকা ছাড়া পার হতে পারি না বিশ্বের খুব কম সংক্ষনক দেশে এই ধরণের চাঁদাবাজি হয়ে থাকে যার মধ্যে বাংলাদেশের নাম সবার উপরেই থাকবে। যমুনা সেতু ফাটল দিয়ে দিয়েছে কিন্তু টোল নামক চাদাবাজি এখন ও বন্ধ হয়নি যমুনা সেতু বানানো হয়েছে কার টাকায়? দলীয় কোনো নেতা বা বাপের টাকায়?
আমরা তো গোলাম পরিশ্রম করে কামাই করবো সব কিছু তে বিন্দু বিন্দু করে কমিশন নামক রাজস্ব দিয়ে ওদের দুর্নীতির ফান্ড বড় করবো এর বাহিরে আমাদের কোনো পরিচয় আছে কি?
আর প্রশানসন সে তো বাপের বেপরোয়া নেশা ও দুর্নীতিগ্রস্ত মেজো ছেলে। বড় ভাই, ছোট ভাই, বাপ মা আমরা সক্কলে মিলে নেশাগ্রস্ত টাকে পেলে পুষে তাজা রাখছি। না রাখলে উপায় নেই শত্রূ পক্ষ এবং গোলাম (গোলাম মানে আমরা সাধারণ জনগণ) গুলোকে তো এই নেশাগ্রস্থ দুর্নীতিবাজ টা দিয়েই দমন ও নিধন করতে হয় তাই না?
রাতের বেলায় টিভি পট্টিতে একদল সুশীল প্রগতিশীল নামক চাপাবাজরা কারওয়ানবাজারে বসে পুরো দেশটাকে গরম করে দিবে নীতি বাক্য আর দালালী পনা করে, অথচ রাত ১২টার পরে টিভি চ্যানেলের টক্ শোতে উঠার আগে কয়েকশো মানুষকে রাস্তায় ঘুমুচ্ছে দেখেও কখনো এই নিপীড়িত, বস্ত্রহীন, চাদরহীন ধুলো মাখা রাস্তায় বালিশ বিহীন অসহায় মানুষগুলো কে নিয়ে একটি কথা ও বলবে না, ওহ দুঃখিত রাস্তার মানুষ বালিশ পাবে কোথা থেকে যে দেশে একটি বালিশের মূল্য ৫৭৫৬ হাজার টাকা হাহাহা।
ধরেন আপনার ৭ জন মানুষের একটি পরিবার, প্রতি মাসে প্রতি ১ জনের খাদ্য বাবদ ২০০০ টাকা, চিকিৎসা বাবদ ২০০ টাকা, শিক্ষা বাবদ ১০০ টাকা , পরিবহন বাবদ ১০০ টাকা, শখের বসে শেরাটন ও ছোট খাটো রেস্টুরেন্টের খাবারের ও অন্নান্য হিসাব নাই ধরলাম তবে মোবাইল ব্যায় অনুগ্রহ করে নিজেরা মিলিয়ে নিবেন এদের দুর্নীতির হিসেব আমার পক্ষে মিলিয়ে বলা টা সম্বব নয় যদি কোনোদিন কোনো সিএ একাউন্টেন্ট কাউকে পাই সেদিন মিলিয়ে দিবো, আপনার পরিবার প্রতি মাসে ১৫% হারে ২৪৩০ টাকা রাজস্ব নামক দুর্নীতির ফান্ডের যোগান দিচ্ছে, মাসিক ২৪৩০ ফিক্সট দেয়ার পরে ও আমাদের (গোলমদের) সম্পদ রেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, আর হাজারো সম্পদের বিনিময় হচ্ছে সেই আমাদেরই সাথে লাগাম ছাড়া মূল্যে ভাবতে পারেন কতটা জুলুম?
এই শাসন ব্যবস্থা কালে কালে সুশীল ঘরের মেয়েকেও অন্যের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য করবে এই জাতিকে, তখন আপনার আমার কাছে মা বোনের ইজ্জতের লেনদেন সামাজিক লজ্জা, ঘৃণা, পাপাচার বলে মনেই হবে না কারণ আমাদের শাসন ব্যবস্থা আমাদেরকে সেই পথেই নিয়ে যাচ্ছে সে পথ খুব দূরে নয় যদি আমরা না বদলাই এবং সমাজ ও দেশ টাকে বদলে না দেই,
আমরা মুনিবরা গোলাম চরিত্রে জীবন পার করছি, সন্তানদের উচ্চ শিকা তো দূরের কথা মধ্য মাত্রার শিক্ষার জন্য অর্থের যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছি, ৫ টাকার সার্ফএক্সেল প্যাকেট দিয়ে জামা পরিষ্কার করে ভাব নেই আমি অনেক ভালো আছি, দেশ আমাকে ভালোই রেখেছে। অথচ সন্তানদের সাধ্য পূরণ করার ক্ষমতাও আমার নেই. সেটা আমার থেকে ভালো কেউ জানে না, সমাজ জানলে আমাকেই ধিক্কার দিবে উপহাস করবে।
আমাদের টাকায় বেতনভুক্ত গোলামরা আজ মুনিবের চরিত্রে জীবন যাপন করেছে। ওদের সন্তানরা ইউরোপ, আমেরিকাতে উচ্চ শিক্ষা নিতে পারে খুব সহজে কারণ ওদের অর্থের যোগান আমরা দেই তাই ওদের সন্তানরা পারে আমাদের সন্তানরা পারে না,
রাজনৈতিক নেতা এবং পাতি নেতা, সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, এবং প্ৰশাসনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মীদের কাছে যে পরিমান রাষ্ট্রীয় সম্পদের লুট করা অংশ রয়েছে সেটা দিয়ে একটি দুইটি নয় বানানো যাবে ডর্জন খানেক পদ্মা সেতুর মতো উড়াল সেতু সারা দেশ জুড়ে। রাজনৈতিক নেতা এবং পাতি নেতারা ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতু থেকে ও প্রতি গাড়ি পারাপারে সর্বনিম্ন ১০ থেকে ১০০ টাকা ও চাদা নিয়ে থাকে দেশের বিভিন্ন স্থানের সেতু গুলো থেকে,
ভেবে দেখুন আপনার আমার টাকায় নির্মিত সেতু তে আমরা টাকা ছাড়া পার হতে পারি না বিশ্বের খুব কম সংক্ষনক দেশে এই ধরণের চাঁদাবাজি হয়ে থাকে যার মধ্যে বাংলাদেশের নাম সবার উপরেই থাকবে। যমুনা সেতু ফাটল দিয়ে দিয়েছে কিন্তু টোল নামক চাদাবাজি এখন ও বন্ধ হয়নি যমুনা সেতু বানানো হয়েছে কার টাকায়? দলীয় কোনো নেতা বা বাপের টাকায়?
হাজার হাজার কোটি টাকার বাজেট হয় প্রতি বছর ভাগ্য বদলায় কয় জন সাধারণ জনগণের? যাদের টাকায় কোটি কোটি টাকার বাজেট তৈরী হয় বেলা শেষে তাদের ওষুধ কেনার টাকা ও পকেটে থাকে না, সরকার তো একটি গুষ্টির নাম মাত্র যাদের কর্ম ও ধর্ম হচ্ছে সরকার শব্দের সিলমোহর লাগিয়ে দেশ. দেশের সম্পদ, এবং জনগণ কে লুট করা, প্রমান চান?
নির্বাচনের আগে আপনার এলাকার নেতার সম্পদের হিসেবে দেখুন মনে হবে আপনি যদি কিছু টাকা সাহায্য করতে পারতেন আপনার নেতাকে সে হয়তো খুব উপকৃত হতো, বাস্তবে মিলিয়ে দেখুন আপনার নেতার সম্পদের পাহাড় কোথায় গিয়ে মেঘে ঢাকা পড়েছে হেলিকপ্টার ছাড়া শেষ সীমান্তে পৌঁছাতে পারবেন না. পত্রিকার তথ্য গুলো তাই বলে আপনাদের গরিব নেতাদের সম্পর্কে।
ঘৃণা করেন "রাজনৈতিককে" কেন করেন?
কারণ "রাজনীতি" শব্দের প্রাণ নেই অস্ত্র নেই হামলা মামলা হুমকি দেয়ার ক্ষমতা নেই,
এই দেশে ২টি গুষ্টি ও শব্দেই বন্ধি এই অহংকারী "রাজনীতি" নামক সিংহের গর্জন সমৃদ্ধ অত্যাচারীদের বিদুদ্ধে সিংহ পুরুষদের তৈরী শব্দ টি,
আমার অস্ত্রসস্ত্র, গুন্ডা, পান্ডা, সান্ডা, প্রশাসন, আইন, সবই আছে তোর কি আছেরে বেটা হুম? আমি হুঙ্কার দিলে তোদের মধ্য থেকে বাছাই করা কয়েক শো পা চাটা গোলাম আছেরে বেটা আমার তোর কি আছে হুম?
ঘুনে ধরা সমাজের ইতি কথা
Reviewed by জননী এগ্রো / নৈতিক কলাম
on
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯
Rating:
Reviewed by জননী এগ্রো / নৈতিক কলাম
on
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯
Rating:







কোন মন্তব্য নেই: