কোম্পানি গুলো যে ধরণের মোড়কে আবৃত্ত পণ্য বাজারজাত করে সেগুলো খেয়ে আপনার আমার বা আমাদের শিশুদের পেটে গিয়ে কি ধরণের ক্ষতি করছে তাতে তাদের কিছু আসে যায় না তারা পণ্য উৎপন্ন করবে
সেটাকে তরতাজা রাখার জন্য রাসায়নিকের ব্যবহার করবে, খাবার রং বলে আলগা রঙের মিশ্রণ করবে,
সুগন্দী করার জন্য কেমিক্যাল দিয়ে আলগা সুগন্ধ করবে আপনি, আপনার শিশু, আমাদের সমাজের মানুষ সেটা খাবে, দীর্ঘ মেয়াদে সেটা শরীরে ক্যান্সার কোষ তৈরি করবে, যতটা পারেন মোড়ক জাট পণ্য ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন,
সহজ বিষয় একবার চিন্তা করে দেখুন, দুপুর বেলা আপনি আপনার আম গাছ থেকে আম পারলেন কেটে কিছুটা অংশ খেলেন আর কিছু অংশ সন্ধ্যে বেলা খাবেন বলে রেখে দিলেন এইবার সন্ধ্যে বেলায় বাকী অংশ টা খেয়ে দেখুন স্বাদের তারমম্ম টা কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে,
প্রশ্ন করুন নিজেকে ১ বছর মেয়াদে আলুর তৈরি
মুখ রোচন খাবারটা বা বোতল জাত আমের জুসটা কি করে ১ বছর সতেজ
মুখ রোচন খাবারটা বা বোতল জাত আমের জুসটা কি করে ১ বছর সতেজ
এবং তাজা থাকে? আমাদের পাশ্চবর্তী
দেশ ইন্ডিয়ার অনেক স্টেটে প্লাষ্টিক
বোতল জাত পণ্য একবারের বেশী ব্যবহার করা
হয় না বিশেষ করে চেন্নাইতে
হয় না বিশেষ করে চেন্নাইতে
লোকজন দৈনন্দীন ব্যবহার এর জন্য
কোনো প্লাষ্টিকের বাসনের ব্যবহার করেন না,
কারণ প্লাষ্টিক তৈরীতে যে সকল রাসায়নিকের
ব্যবহার করা হয় সেটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই
ক্ষতিকর এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যান্সারের কারণ ও
হতে পারে, আর আমাদের দেশে বছর বছর ধরে নিুমানের প্লাস্টিকের বোতলে সংরক্ষণ করা
ব্যবহার করা হয় সেটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই
ক্ষতিকর এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যান্সারের কারণ ও
হতে পারে, আর আমাদের দেশে বছর বছর ধরে নিুমানের প্লাস্টিকের বোতলে সংরক্ষণ করা
পণ্য উচ্চ মূল্যে ক্রয় করি. যেটা রসায়নের মিশ্রন দিয়ে তৈরী রসায়নের বোতলে সংরক্ষণ করা হয়,
আজ জানাবো এমন কিছু কেমিক্যাল যা আমরা প্রায়ই প্রতি দিনই খাচ্ছি বা খাওয়াচ্ছি আদরের শিশুদের কে.
দেশী ফলমূল যে গুলোতে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন ও প্রাকৃতিক উপাদানযুক্ত অধিক পুষ্টিগুণ
আমরা সেগুলো না খেয়ে বিদেশী আপেল, কমলা, মালটা, এবং অন্যান ফলমূলে আসক্ত হয়ে পড়েছি সাথে কোমল মতি শিশুদের ও আসক্ত করছি,
আপনি জানেন এই বিদেশী ফল আপনার দুর্গোড়ায় কতদিন পরে আসে? ২ মাস লাগে, বিশ্বাস করেন আর না করেন
গাছ থেকে পারার ২মাস =৬০দিন পরে আমরা হাতে পাই, অস্টলিয়া, চীন, সাউথ আফ্রিকা, মিসর, তিউনিশিয়া,
এবং নাম না জানা হরেক দেশ থেকে আসে. ভাবুন তো কি করে ৬০দিন এই ফলগুলো এতো সতেজ থাকে, কাস্টমস পোর্টে এই ফলগুলো পরীক্ষা
এবং নাম না জানা হরেক দেশ থেকে আসে. ভাবুন তো কি করে ৬০দিন এই ফলগুলো এতো সতেজ থাকে, কাস্টমস পোর্টে এই ফলগুলো পরীক্ষা
নিরীক্ষা ও করা হয় না, তো কি করে জানবো ফরমালিন রপ্তানী কারী ভিনদেশী ব্যাবসায়ী দিলো নাকি আমাদের দেশী আমদানী কারক দিলো,
বিভিন্ন জাতের ২৬৩ টি ফলের উপর পরীক্ষা করে বের করা হয়েছে রাসায়নিক ব্যবহারের মাত্রা, কলাতে ৯০%, আক্সগুরে ৯১%, নুডলসে ৮২%, আমে ৭৭%, খেজুরে ৭৫%, টমেটো তে ৬০%, আপেল ২০%, বেগুনে ৫৯%,
সূত্র: পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা আবু নাসের খান রাসায়নিকের ব্যবহার কে সামনে তুলে ধরে
বলছেন
"অনতিবিলম্বে ধীর গতিতে মানুষ কে হত্যা করা বন্ধ করতে হবে"
নাইট্রেট
সোডিয়াম নাইট্রেট সাধারণত মাছ, মাংস, এবং প্রাণীজ খাদ্য কে সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে, নাইট্রেট আপনার শরীরে ধিরে ধিরে "নাইট্রোসামাইনস" উৎপন্ন করবে
"নাইট্রোসামাইনস” ক্যান্সার উৎপন্ন করণের একটি উৎস যা আপনার শরীরে ক্যান্সার কোষ গঠন করতে সাহায্য
করে, গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে প্যাকেট জাট মাংস এবং অন্যান মাংস জাতীয় খাবার দীর্ঘ মেয়াদে ক্যান্সার সৃষ্টি করে
সর্বিক এসিড
প্রাথমিক ভাবে সালাদ, কেক, এবং বিভিন্ন জাতের পনিরকে দীর্ঘ মেয়াদে সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন ধরণের জীবাণু, ছত্রাক, এবং রুটি জাতীয় খাবার কে ফুলানোর জন্যও ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যার ফলে দীর্ঘ
মেয়াদে এলার্জি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন
মেয়াদে এলার্জি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন
সালফাইটস
বিশেষ করে বোতলজাট পানীয়তে এই রাসায়নিকটি ব্যবহার করা হয় অধিক মাত্রায়, ফলমূল এবং সবজিতে ও এই রাসায়নিক টি ব্যবহার করা হয়. ফলমূল এবং সবজির সতেজ রংকে দরে রাখার জন্যই ব্যবহার করা হয় এই রাসায়নিক, ডায়রিয়া।বমি বমি ভাব, চুল্কানি, শ্বাস প্রশ্বাস নিতে সমস্যা এবং ক্ষেত্র বিশেষে মৃত্যুর ও কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে এই রাসায়নিক বাবহারের কারনে
কেরামেল
কয়েক যুগ ধরে খাদ্যের রঙ আকর্ষণীয় করার জন্য কেরামেল ব্যবহার করা হচ্চে,এটি কয়েক টি নাম করণের জন্য আলু চিপস, ডোনাটস, আইসক্রিম, রুটি, মিছরি, নরম পানীয়, বিয়ার, হিমায়িত পিজা, ভিনেগার, কুকিজ এবং অন্ধকার
তরল হিসাবে অনেক প্রক্রিয়াকৃত খাবার এবং পানীয় তে ব্যবহার করা হয়
খাদ্যে ফরমালিনঃ নীরবে গণহত্যা
Reviewed by জননী এগ্রো / নৈতিক কলাম
on
ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০১৯
Rating:
Reviewed by জননী এগ্রো / নৈতিক কলাম
on
ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০১৯
Rating:


কোন মন্তব্য নেই: